MPO ভুক্তির জটিলতা ও সহজ সমাধান - দৈনিক
মঙ্গলবার, ১৬ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৪:৪৩

শিরোনামঃ

MPO ভুক্তির জটিলতা ও সহজ সমাধান

পৃথিবীর বুকে  বিস্ময়কর এক পদ্ধতির নাম MPO   ভুক্তি। সব ধরনের রিকোয়ারমেন্ট পূর্ণ করে কেউ সুপারিশ প্রাপ্ত হলো। নতুন প্রতিষ্ঠানে জয়েন করল।বেজায় খুশি,  এই খুশি হওয়ার মূল কারণ NTRCA এর মাধ্যমে অটোমেশন সফটওয়্যার কোনো রকম ভেজাল ছাড়া নিজ যোগ্যগায় চাকরি পাওয়া। খুবই সুন্দর সিস্টেম। প্রশংসা করার মত। চাকরি হয়ে যাবে তার পরের মাস থেকেই বেতন কার্যকর হবে এটাই স্বাভাবিক। পৃথিবীর সব চাকরির এটাই নিয়ম। আমরা যারা NTRCA এর মাধ্যমে চাকরি পেয়েছি তাদের বেলায় যে অদ্ভুত এক নিয়ম আছে এটা গৃনিজ বুক অব রেকর্ড কতৃপক্ষ এখনো টের পায়নি। টের পাইলে হয়তোবা এতোদিনে এই অদ্ভুত নিয়ম নিয়ে রেকর্ড এর কথা শিওর বিশ্ববাসী জানতে পারতো, কিন্তু আফসোস সবাই  সে বিষয় মনোযোগ দিতে ভুলে গেছে।এই দুঃখে আমি কি করবো ভেবে পাইনা।একজনের বাড়ি গাইবান্ধা কিন্তু তার সুপারিশ হলো বরগুনা। সে যখন নিয়োগ পেয়েছে  হাজার কিলোমিটার দূরে। সেখানে সুপারিশ পত্র নিয়ে যোগদান করতে গেলো। প্রতিষ্ঠান প্রধান তাকে নিয়োগের আয়োজন করবে।  মিটিং করবে রেজুলেশন করবে এই খরচ সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষক এর বহন করতে হবে। শুরু হলো হয়রানি। জ্যামিতিক হারে বাড়তেই থাকবে। এরপর সব পেপারে সাইন করতে হবে প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং সভাপতির।কিন্তু সভাপতি থাকেন ঢাকা,  প্রতিষ্ঠান প্রধান সেই সভাপতির কাছে ছুটবেন, যেহেতু প্রতিষ্ঠান প্রধান সেহেতু তার যাওয়া- আসা তো আর সাধারণ মানুষের মতো হবেনা। তাঁর যাত্রা হবে বিলাস বহুল। সেই ভার তো নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকই এর বহন করতে হবে, এর বিকল্প কিছু ভাবা বোকামি। আর সভাপতির বাসায় এতোদিন পরে যাবে খালি হাতে কি আর যাওয়া যায়?  লোকে কি বলবে!!  যাই হোক নিয়োগ যেহেতু পেয়েছে কিছু তো খরচ করতেই হবে, এই পরামর্শ দিবে অনেকেই।অবশেষে হাজার কিলোমিটার রেস করে  পাওয়া গেলো কাঙ্ক্ষিত নিয়োগপত্র আলহামদুলিল্লাহ,  এবার নিয়োগ যেহেতু পেয়েছে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলে ক্লাস শুরু করেন। কিন্তু খেলা যে শুরুই হয়নি তা বুঝে উঠতে পারেনি। এবার MPO এর জন্য আবেদন করাতে হবে। আবেদনে চল্লিশের বেশি প্রজাতির  কাগজপত্র লাগবে। শুরু হবে আবার নতুন রেস। আপনি দৌড়াবেন দৌড়ের দাম দিবেন কিন্তু কষ্টের কথা কাউকে বলতে পারবেননা। আপনি কাঁদবেন কিন্তু লোকজন দেখার আগে চোখ মুছতে হবে এবং আপনার বুক ভরা কষ্ট নিয়ে হাসতে হবে আর সবাইকে মিষ্টিমুখ করাতে হবে। এর পর আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান এর পত্যয়ন লাগে তাই তাকে বিলাসবহুল পরিবহনের আয়োজন করতে হবে এর সাথে আপ্যায়ন এর কথা  তো বলতে হয়না।যাই হোক একাউন্ট নাম্বার দিয়েই শেষ নয় এর সাথে থাকতে হবে জমা স্লিপ তার সাথে প্রত্যয়ন, মানে এক মুরগি তিনবার জবাই করা।এবার অবস্থান সার্টিফিকেট। এই আজব ডকুমেন্ট সংগ্রহ করতে হবে চেয়ারম্যান এর কাছ থেকে।  নতুন একজন শিক্ষক এর পক্ষে খুবই বিড়ম্বনার। এক দিকে প্রার্থীর থাকা খাওয়ার চিন্তা, অপরদিকে চেয়ারম্যান এর পিছনে ছুটতে থাকা,  একজন চেয়ারম্যান বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকে। সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষকের অভিযোগ “কতৃপক্ষ কি জানেনা এই প্রতিষ্ঠান এর অবস্থান কোথায়, জানা সত্ত্বেও কেন অযৌক্তিক এই হয়রানি’।

এতো লড়াই যুদ্ধ করে চল্লিশোর্ধ ধরনের কাগজ দিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে সাথে নিয়ে ছুটতে হবে  ডিজিটাল ফর্মূলায় MPO  এর জন্য আবেদন করতে। ।  প্রতিষ্ঠান প্রধানকে সাথে  নিতে হবে আইডি পাসওয়ার্ড এর জন্য।  এই কাগজ পত্র সবকিছু একত্রিত করে কম্পিউটার এর দোকানে বসে থাকতে হবে হবে।এরপর যদি হাতের রেখা বা চার আঙুল কপাল যদি আপনার ফেবারে থাকে তাহলে আপনার ফাইল হয়তো আপলোড হবে  না হয় সার্ভার ডাউন হলে যতোই দোয়া দুরুদ  পড়েন কবুল হবেনা। এটা আপনি বুঝতে পারবেন যখন দেখবেন দোয়ায় সার্ভার সচল হচ্ছেনা। তখন মনের দুঃখে বনে গিয়ে নিরবে কাঁদতে হবে কিন্তু কান্নার দাগ রাখা যাবেনা।দুই মাস অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী আবেদন এর জন্য। কপাল যদি আষ্টো আঙুল হয় তবে ফাইল আপলোড হতে পারে। এই ফাইল প্রথমে যাবে উপজেলা শিক্ষা অফিসে, সেখানে ফাইলের আপডেট নিতে গেলে দেখা যাবে মহা বিপদ।শিক্ষা অফিসারের পিওন/ কেলার্ক ফাইলের  কিছু  ভুলের কথা শোনাবে  যা শুনে একজন নব্য শিক্ষক  হয় ভিরমি খাবে  না হয় জ্ঞান হারিয়ে ফেলবে, কিন্তু তার মাথায় কেউ পানিও ঢালবেনা। নিজে নিজে শক্তি অর্জন করে কাতর কন্ঠে পিওনকে বলতে হবে  এর সমাধান কি? পিওনের বেজায় রকমের ক্ষমতা। তার অলৌকিক ক্ষমতা দেখতে চাইলে তাকে নির্জনে নিয়ে যেতে হবে। এবং চা-নাশতার কথা বলতে হবে। এবার যদি অংকের  শিক্ষক হন তারপরও অংক শিখতে হবে।  চা=৫০০০+নাস্তা =৫০০০। মোট কতো হয়?  যাই হোক এবার রাজি থাকলে ১ চাপুন  আর না থাকলে ২ চাপুন। কিন্তু ২ চাপার সাহস করো বুকে নেই। বাধ্য হয়ে এক চাপতে হবে। এরপর কেলার্ক যে কত জ্ঞান দিয়ে দিবে যা কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জন করা সম্ভব না। এই লাইনে সব চেয়ে জ্ঞানের অমর বাণী হলো ‘কমিটর মাধ্যমে নিয়োগ পেলে তো বিশ লক্ষ টাকা লাগতো আর এখন তো ফ্রি চাকরি পাইছেন’ এটা প্রায় সবাই শোনাবে। কেরানি/পিওন এতক্ষণ যত সমস্যার কথা বলছে চা+নাশতায় সেগুলো উবে গেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে চা-নাস্তার খরচ ৫০০০০ ছাড়িয়ে যায়। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান প্রধান লাখ টাকা কন্টাক্ট নেয় ফাইল পঠানো থেকে শুরু করে ইনডেক্স পাওয়া পর্যন্ত।  এরপর মেমিস হলে চলে যাবে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এ।  সেখানে গেলে শুরু হবে যাচাই-বাছাই (যার আদৌ কোনো প্রয়োজন নেই) ওখান থেকে শতকরা ১৫ ভাগ ফাইল সেভ  হবে  আর ৮৫ ভাগ ফাইল রিজেক্ট হবে। যখন ফাইল রিজেক্ট হবে তখনই কেবল একজন শিক্ষক এর উচিত শিক্ষা হবে। এবার শত চেষ্টা করেও একজন শিক্ষক কাঁদবে কিন্তু চোখের পানি বের করতে পারবেনা। যাদের ফাইল যতবার রিজেক্ট হবে তারা এই লেখাটি উপর থেকে ততবার পড়বে। NTRCA সুপারিশ করে পাঠাবে  কিন্তু অধিদপ্তর বলবে সুপারিশ ঠিক নেই। এরপর মাউশি ফাইল তো আরো বেশি পথ পাড়ি দেয় এবং ঘাটও আছে অনেক।  এরপর যদি কেউ MPO পায় তাহলে তাকে মূল বেতন এর সাথে দেয়া  হবে  বাড়ি ভাড়া এ-ক হা-জা—র টাকা।  মাশা-আল্লাহ। একটা বাইক  গ্যারেজে রাখতে ৩০০০ টাকা মাসে  ভাড়া দিতে হয় আর একজন শিক্ষক এর বাসা ভাড়া এক হাজার। এটা কোনো বিবেকবান মানুষের পক্ষে মেনে নেয়া যায়?  আর বোনাস সিকি ভাগ সে কথা নাই বললাম। এখানেও এক অদ্ভুত পদ্ধতি চালু আছে।  ইদ শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পরে  বেতন বোনাস পাওয়া যেতে পারে। ইদের পরে বোনাস দেয়ার কিছু ফজিলত ও আছে এর মধ্যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত হলো ১।ইদের সময় দ্রব্যমূল্যে চড়া থাকে, কাপড়-চোপড়,  সেমাই, চিনি এগুলো ইদের পরে দাম কমে  যায় তখন সস্তায় খরিদ করা যায়। ২। টাকা পয়সা না থাকার কারণে MPO  শিক্ষকগণ বাইরে কম বের হবে এতে সড়কে জ্যাম কম হবে এবং দূর্ঘটনার হাত থেকে । ৩। রমজান মাস ইবাদতের মাস যত বেশি ইবাদত ততোবেশি ছওয়াব, এই সময়ে বউ বাচ্চা নিয়ে ইতেকাফে বসলে আরো বেশি ছওয়াব পাওয়া যাবে। ইদের বোনাস ইদের পূর্বে পেলে ইতেকাফ ভঙ্গ করে মার্কেটে দৌড়াইলে ছওয়াব কমে যাবে।
এভাবেই সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষক এর মনে একধরনের নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হয়। নিয়োগ পাওয়ার নব্য শিক্ষক এর আনন্দের বেলুনে হুল ফুটিয়ে তাঁর চুপসে দেয় MPO বিড়ম্বনা।
প্রাপ্যতা না থাকার কারণে ফাইল রিজেক্ট হয়। এটা অমানবিক ও নিষ্ঠুরতম কাজ।শিক্ষক চাহিদা দেয়ার দেয়ার প্রতিষ্ঠান প্রধান এর তথ্য উপজেলা শিক্ষা অফিসার যাচাই-বাছাই করে। কোনো ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ দায়ী থাকবেন, নব্য শিক্ষক কেনো এর দায় নেবেন। এজন্য কেনো ফাইল রিজেক্ট হবে!!? 
মহিলা কোটার জন্য  অনেক ফাইল রিজেক্ট হয়, এটা খুবই অমানবিক। কোনো কারণে যদি অস্পষ্ট কোনো বিষয় হয় জটিলতা সৃষ্টি হয়। প্রার্থী যদি সমস্যার কথা মাদ্রাসা অধিদপ্তর এ যায় তাহলে অধিদপ্তর বলবেন ‘NTRCA নিয়োগ দিয়েছে আপনি সেখানে যান’। কিন্তু NTRCA গেলে সেখানে তাঁরা বলবেন “আমাদের কাজ সুপারিশ করা MPO দেয়া নয়, আপনি অধিদপ্তরে চলে যান”। এভাবে চলবে   পিলো পাচিং খেলা।
মাদ্রাসা অধিদপ্তর সমস্যা সমাধানের কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করতে চায়না। একজন শিক্ষক যে সমস্যায় পড়েছেন তাঁর সমস্যা সমাধান কিভাবে করা যায় সেই নিয়ে কারোই কোনো মাথা ব্যাথা পরিলক্ষিত হয়না।NTRCA বিনা টাকায় সুপারিশ করেছেন এজন্য মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট সকলেকে ধন্যবাদ। পাশাপাশি MPO ভুক্তি হয়রানি ও জটিলতা মুক্ত করা হোক।

এই সমস্যা  সমাধানের উপায় 

• মাঠ পর্যায় থেকে শূন্য পদের চাহিদা সংগ্রহ করে যাচাই-বাছাই করে অধিদপ্তরে পাঠাবে।অধিদপ্তর পূনরায় যাচাই-বাছাই করে NTRCA পাঠাবে। 

• শুধুমাত্র জয়েনিং লেটার এবং ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার সরাসরি অধিদপ্তরে পাঠাবে। অধিদপ্তর MPO প্রদান করবেন। 

• অটোমেটিক MPO চালু করা।

• জয়েনিং থেকে বেতন কার্যকর করতে করা । 

• দ্রুত ও আর্থিক হয়রানি মুক্ত  বদলি চালু করতে হবে। বদলির সময় যাতে বেতন চালু থাকে সেই বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।

• মাউশি ও মেমিস এর নীতিমালা একই করতে হবে। 

• কোনো জটিলতা সৃষ্টি হলে জয়েনিং থেকে বেতন চালু রেখে(যাতে নব্য শিক্ষক জয়েনিং মাস থেকে বেতন তুলতে পারে)  সমস্যা সমাধান করতে হবে।

লেখক-

মো. আল আমিন 

বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার (কম্পিউটার সাইন্স) 

লেকচারার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। 

তিতাস গ্যাসের সিবিএ সভাপতি কাজিম উদ্দিনের নামাজে জানাজায় মানুষের ঢল

বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে এখন আসামি: মির্জা ফখরুল

আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় ৩৩ জনের মৃত্যু

তিতাস গ্যাসের সিবিএ সভাপতি কাজিম উদ্দিন প্রধানের মৃত্যুতে শোক

ডেমরাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ওসি মোঃ জহিরুল ইসলামঃ ঈদ পরবর্তী ডিএমপির নিরাপত্তা বিষয়ক নির্দেশনা পালনের আহবান 

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন তরুন সাংবাদিক মোঃ সুজন

ডেমরায় গ্রেফতার কাপড় চোর চক্রের ৫ সদস্য কারাগারে

ভূমি অফিসের পরিছন্নতা কর্মীর বিরুদ্ধে জমি নামজারি করতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

ডেমরায় ইফতার বিতরণ করলো ছাত্রলীগ

কৃষ্ণপুর সমাজকল্যাণ সংঘের উদ্যোগে হাফেজদের সংবর্ধণা প্রদান

আবারও ইউনাইটেডে পা হড়কালো লিভারপুল

পাকিস্তানের কোচ হলেন ‍ইউসুফ-রাজ্জাক

দুই ম্যাচ হারা চেন্নাইয়ের একাদশে থাকবেন মুস্তাফিজ?

বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার : ফখরুল

অস্ত্রসহ কেএনএফের আরও ২ সদস্য আটক

৬৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মনিরুজ্জামান মনির মাস্টারের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ

সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে ডেমরা ০৭-০৯ ব্যাচের ঈদ উপহার বিতরণ।

দেশবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক ছাত্রনেতা ও  বিশিষ্ট ব্যবসায়ী- সমাজসেবক মনিরুল ইসলাম মনির মুন্সী

ডেমরায় জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

দৈনিক সকালের সময়ের আয়োজনে ‘স্বাধীনতা ও আমাদের প্রত্যয়’ ও ইফতার অনুষ্ঠিত

দুই হাজার গরীব-অসহায় পরিবারের মাঝে মাংস বিতরণ করলেন এমপি মনু

MPO ভুক্তির জটিলতা ও সহজ সমাধান

প্রায় ১০০ কোটি টাকা ছাড়ের পরেও মামলা কিউকমের বিরুদ্ধে: প্রতিবাদে মানব বন্ধন

ডেমরাবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন বামৈল ইউনিট যুবলীগ সম্পাদক আমিনুল ইহসান অতুল।

ঢাকা ৫ আসনের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে রিপনের ঈদ পূর্ণমিলনী

ডেমরায় গরুর খামার ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার:মৃত্যু নিয়ে রহস্য

ঢাকা-০৫ এর এমপি কাজী মনুর পক্ষে ৪৮ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সুমন সর্দার

ডেমরাবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন বিশিষ্ট আইনজীবি এ্যাড. আল আমিন ভূঁইয়া

ডেমরায় মদের বার বন্ধে ফের এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ

৬৬ নং ওয়ার্ড বাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাফর আহমেদ বাবু

বিশৃঙ্খলা করলেই বিএনপিকে প্রতিরোধ: এমপি মনু

ডেমরাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর হাজী আতিকুর রহমান আতিক

ডেমরায় ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা: জনদুর্ভোগ চরমে

৬৬ নং ওয়ার্ড বাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন যুবলীগ সভাপতি রাসেল ভূইয়া

ডেমরায় মদের বার বন্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ডেমরায় বখাটেদের মারধরে আহত নারীর মৃত্যু: গ্রেফতার ২

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার ছেলে নোমান কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত

ডেমরায় আওয়ামী লীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আলোচনা সভা,কেক কাটা,মিলাদ মাহফিল

ডেমরায় সুবিধাবঞ্চিত ১০০০ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

৬৮ নং ওয়ার্ড বাসীকে হারুনর রশীদ মুন্নার পক্ষে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন এম এ রশিদ মাষ্টার


উপরে